বৈধ ধর্ষন পর্ব ২
বৈধ ধর্ষন
পর্ব:২
নিলের রুমে আসার পর স্নিগ্ধা উঠে গিয়ে ওকে সালাম করলো,(ভাবি শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছে)
নিল স্নিগ্ধাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে আলমারি থেকে কি জানি বের করতে লাগলো,
একটা সাদা চাদোর বের করে স্নিগ্ধাকে দিলো,
নিল:এটা বিছানায় বিছাও।
স্নিগ্ধা:এইটা কেনো বিছাবো?যে চাদোরটা আছে ওইটা তো এর থেকে ভালো।
নিলে একটান দিয়ে ফুল সহ বিছানার চাদোর তুলে ফেললো,
তোকে যা বলেছি তা কর😡😡
স্নিগ্ধা নিলের এমন বিহেভ দেখে অনেক ভয় পেয়ে গিয়েছে,,,কাপা কাপা হাতে সাদা চাদোর টা বিছাতে না বিছাতে,,, ,
নিল স্নিগ্ধার এক ধাক্কায় বিছানায় ফেলে দিলো,,,
ধাক্কা দেওয়ার ফলে যে স্নিগ্ধা কোমরে ব্যথা পেয়েছে তার দিকে নিলের কোনো খেয়ালিই নেই
,,কারন সে এখন নিজের
শারীরিক চাহিদা মিটাতে ব্যস্ত,,,
হ্যা শারীরিক চাহিদা, কিন্তু ও কি স্নিগ্ধার ব্যপারে এক বার ও ভেবেছে?
সারাটা দিন পিচ্চি মেয়েটার উপরে কি ধকলটাই না গেলো,,আর রাতে ওর এই নরপশু মতো ব্যবহার।
এক কথায় বলতে গেলে ধর্ষণ করছে,,
হ্যা ধর্ষণ,,
যার বৈধতা ও আজকে সামাজিক ভাবে পেয়েছে।।
স্নিগ্ধা চিৎকার করে কান্না করতে চাচ্ছে কিন্তু পারছে না,কারন বাসায় যে সাবাই আর মেহেমানরা কি ভাববে?
এতোটুক বুঝ পিচ্চি মেয়েটার হয়েছে।।
স্নিগ্ধার শরিলটা কেমন যানি অবস হয়ে আসছে,,,আর চোখ বেয়ে বেয়েতো কখন থেকে পানি পরছে।
আর নিল ক্লান্তো না হয়ার পযন্ত স্নিগ্ধাও উপরে নিজের অধিকার খাটিয়ে নিলো,,এক কথায় বৈধ ধর্ষণ করলো।
#সকালে
নিল রেডি হয়ে কোথায় যেনো যাচ্ছে।
নিলের না:কোথায় যাস বাবা?
নিল বিরক্তি মাখা কন্ঠে বললো,
অফিসে,
নিলের মা:সে কি,কালকে বিয়ে হলো আর আজকে তুই অফিসে জাচ্ছি।
এ কেমন কথা বাবা?
আর ঘর ভোরা মেহেমানরা কি বলবে?
নিল:দেখ মা তোমাদের এই নাটক আমার একদম সহ্য হচ্ছে না।
আর কে কি ভাবলো তাতে নিল চৌধুরির কোনো আসে-যায় না।।
নিলের মা :বিয়ে নামক পবিত্র বন্ধনকে তুই নাটক বলে ছোটো করিসনা বাবা।
নিল বিরক্তিকর একটা দীঘ নিঃশ্বাস নিয়ে অফিসের জন্য বের হয়ে গেলো।
আর ভাবি(নিলের চাচাতো ভাইয়ের বউ) স্নিগ্ধাকে ডাকতে গিয়ে দেখে স্নিগ্ধা কুকরে শুয়ে আছে।
ভাবি গায়ে হাত দিয়ে ডাক দেওয়া মাত্র স্নিগ্ধা কেপে উঠলো।
বিছানার সাদা চাদোর আর চাদোরের লাগগুলো দেখে ভাবির বুঝতে বেগ পেতে হলো না যে কাল রাতে স্নিগ্ধার ভার্জিনিটির পরিক্ষা করা হয়েছে।
এই লাগগুলার কারনে নিল এই রকম শান্ত ভাবে অফিসে চলে গিয়েছে নয়তো বাসায় কেলেংকারি লাগিয়ে দিতো।
মানুষ চাঁদে চলে গিয়েছে কিন্তু আগের দিনের সাদা চাদোরের প্রথা এখন কিছু ছেলেদের মানুষিক প্রশান্তি। ।
ভাবতেই অবাক লাগে।
ভাবিও এই পরিক্ষার দিয়েছে কিন্তু সে তখন এটার ব্যপারে জান্তোনা,মনে হয় স্নিগ্ধাও জানে না।
অবশ্য স্নিগ্ধার মতো অনেক মেয়েরাই হয়তো এই বিষয় অজানা।
কারন মায়েরা এই ভেবে বলেনি হয়তো তাদের ডিজিটাল প্রযন্মে এই গুলো হবে না,
কিন্তু আপ্সোস তারা অনেকেই ভুল, ছেলেরা যতো মেয়ের সাথে রাত কাটাক না কেনো, বউ হিসেবে ভার্জিন মেয়েই তাদের চাই,,
ভাবি স্নিগ্ধাকে উঠে বসানো মাত্র স্নিগ্ধা ভাবিকে জরিয়ে ধরলো,
স্নিগ্ধা:ভাবি আমি আম্মুর কাছে যাবো,আমি আমার বাসায় যাবো।
ভাবি স্নিগ্ধাকে অনেক কষ্টে সাভাবিক করলো।।
ভাবির স্নিগ্ধার জন্য অনেক খারাপ লাগছে কারন সে জানে যে নিল একটা অহংকারি, বেয়াদপ টাইপের ছেলে। নিলের ভাই(চাচাতো) যেমনি হোক তার (ভাবি) দিকে কতো খেয়াল রাখে আর নিল? কিভাবে পারলো বিয়ের পরের দিন নতুন বউ টাকে একা রেখে অফিসে যেতে।
ভাবি বুয়াকে দিয়ে গরম পানি করিয়ে এনে স্নিগ্ধাকে গুসুল করিয়ে দিলো।
স্নিগ্ধা নাস্তা খেতে চাচ্ছিলো না তাই নিজে নাস্তা খাইয়ে দিলো।
নিলের মা:রিমা(ভাবি) স্নিগ্ধাকে রেডি করে নিচে নিয়ে আসো,
সবাই ওকে দেখার জন্য অপেক্ষা করছে।।
ভাবি:জি চাচিমা।
ভাবি স্নিগ্ধাকে রেডি করতে করতে বলে উঠলো,,
ভাবি:এখন তোমাকে আর একটা পরিক্ষার সম্মুখীন হতে হবে।
স্নিগ্ধা:কি পরিক্ষা ভাবি?
ভাবি:এটাকে বলে নতুন বউ পরিক্ষা।যেমন
নিচে গিয়ে যদি চুপ থাকো তাহলে সবাই বলবে নতুন বউ কথা বলতে পারে না আর যদি সাভাবিক ব্যবহার কর তাহলে বলবে নতুন বউ বাচাল।
আস্তে কথা বললে বলবে এতো আস্তে কথা বলে কেনো আর জোরে বললে বলবে নতুন বউ এতো জরে কথা বলে?
নিচে জাওয়ার সময় সাবার নজর তোমার উপরে থাকবে, তোমার এক একটা জিনিস সবাই এমন ভাবে লক্ষ করেবে যে কোরবানির গরু কিনার আগে ওকে যে ভাবে লক্ষ্য করে।
তোমার যে কোনো ছোটো থেকে ছোটো ভুল তারা ধরারা চেষ্টা করবে,,,
স্নিগ্ধা:কেনো?
ভাবি:কারন সিরিয়াল দেখা ছাড়া তারা আর একটা কাজ করে তা হলো সমালোচনা।
যে কাজ টা করতে তারা অনেক আনন্দ পায়।
নিজের ঘরের মেয়ের থেকে তারা পারা প্রতিবেশির মেয়েদের খবর রাখতে বেশি পছন্দ করে।
স্নিগ্ধা:ভাবি মেয়েদের কেনো এতো পরিক্ষা দিতে হয়?
ভাবি:কারন এটাই আমাদে সমাজের প্রথা,
আমাদের কে মানুষ ভাবেনা, ভাবে মেয়েমানুষ।
মানুষ বলে গন্য করলে হয়তো এমন করে পরিক্ষা দিতে হতো না।
স্নিগ্ধা ভাবির কথা শুনে চুপ হয়ে গেলো।
নিচে যাওয়া মত্র কয়েক জন স্নিগ্ধাকে পিঞ্চ করে কথা বলা বা মোটা মোটি বলা যায় হেরেজ করা জাকে বলে,,,,যাকে ভদ্র সমাজে নাম দিয়েছে নতুন বউয়ের সাথে মজা করা।
কিন্তু এইক্ষেত্রে স্নিগ্ধার আনেরটা ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো স্নিগ্ধার শাশুড়ি।
#রাতে
স্নিগ্ধা ছাড়া সবার ডিনার করা শেষ, নিল এখনো বাড়ি ফিরেনি।
আর নতুন বউ তার বরকে রেখে খেয়ে নিলে সাবাই কি মনে করবে,,,
স্নিগ্ধার প্রচুর ক্ষুধা পেয়েছে,
নিজের রুমে বসে আছে,মার কথা অনেক মনে পরছে।। তাই চোখের দুটো জলে চল চল করছে।।। এই সময় নিলের মা ওর কাছে আসলো।
নিলের মা:আম্মুর কথা মনে পরছে?
স্নিগ্ধা:হ্যা ফুপি।
নিলের মা:এখনো ফুপি বলে ডাকবি?
আর আমি কি তোর মা না?
এখন থেকে মা বলে ডাকবি, কেমন?
আর এখনতো রাত হয়ে গিয়েছে কাল সকালে ফোন করে কথা বলে নিও।
স্নিগ্ধা:জি মা,
মা:দেখমা আমি জানি আমার ছেলেটা খুব কেয়ার লেস,কিন্তু ও খারাপ না।আসলে ছেলেরা এমনি হয়।।
কিন্তু বিয়ের পরে ধিরে ধিরে ঠিক হয়ে যায়।
নিল ও ঠিক হয়ে যাবে।
স্নিগ্ধা :..........(চুপ)
মা:নিল কিছুখনের মধ্যে এসে পরবে,
(বলে মা চলে গেলো)
স্নিগ্ধা কখন যে খাটে ঢেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পরেছে নিজেও টের পায়নি।
#রাত যখন ১টা গেট খোলার শব্দে স্নিগ্ধার ঘুম ভেংগে যায়,,
নিল এসেছে,,
নিলকে দেখেই স্নিগ্ধা কেমন যানি ভয় লাগছে।। হতে পারে কালকে রাতের ঘটনার জন্য।
ওতো জানে না এখন থেকে প্রায় প্রতি রাত ওর এই ঘটনার সাম্মুখিন হতে হবে।।
একবার জিজ্ঞেসা পযন্ত করেনি যে তুমি রাতে খেয়েছো কিনা,,,কিন্তু.....
#সকালে
ব্রেকফাস্ট টেবিলে,
ভাবি:তোমার অফিস তো ৭টা পযন্ত, বাসায় ফিরতে এতো রাত হলো যে?
নিল:কেনো সব সময় তো রাত করেই ফিরি।(মোবাইলে গেমস খেলতে খেলতে)
ভাবি:আগের কথা আলাদাছিলো।আগে তো বাসায় তোমার বউ থাকতো না।
কেউ তোমার জন্য না খেয়ে অপেক্ষা করতো না।
নিল:আমি বলেছিলাম অপেক্ষা করতে?
আর আমি কি করবো না করবো তার কইফোত নেওয়ার তুমিকে?
আমার মা?
ভাবি:এমন ভাবে বললা যে চাচিমা কে অনেক কইফোত দাও?
নিল:right,
আমি কি করবো বা কি করি তার কইফোত আমি কাউকে দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না।
কথাটা বলে নিল নিজের রুমে চলে গেলো।
মা:এখন এই সব কথা বলার কি দরকার ছিলো রিমা?
আমার ছেলেটাকে ঠিক করে নাস্তাও খেতে দিলা না।
ভাবি:কিন্তু চাচিমা...
মা:এইগুলো অদের নিজেদের ব্যপার তুমি এর থেকে দূরে থাকো।।
আর স্নিগ্ধা নিলের রুমে ওর জন্য নাস্তা নিয়ে যাও।
স্নিগ্ধা কাপা কাপা হাতে নাস্তার ট্রেটা নিয়ে নিজের রুমে গিয়ে দেখে নিল রেডি হচ্ছে,,
স্নিগ্ধা :মা আপনাকে নাস্তা খেতে বলেছে।
(ট্রেটা টেবিলে রেখে)
নিল আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল ঠিক করছে।স্নিগ্ধার কথা কানেই নিচ্ছে না।
স্নিগ্ধা:আপনি কোথাও যাচ্ছেন?
নিল স্নিগ্ধার কাছে গিয়ে,
নিল :কি বললা?
স্নিগ্ধা:না মানে মা বলেন আজকে আপনার অফিস ছুটি,তো কথাও যাবেন,,(কাপা কন্ঠে)
নিল স্নিগ্ধার এক হাত মোচরে ধরে ওকে একদম নিজের কাছে নিয়ে আসলো,,
নিল:আমি কইযাই না যাই তা আমি তোমাকে বলার প্রয়োজন মনে করি না।
আর কখনো আমি কি করি না করি এই সব প্রশ্নো করবা না।
মনে থাবে?😡
স্নিগ্ধা হাতের ব্যথায় কুকরে গিয়েছে।মুখ দিয়ে কিছু বের হহচ্ছে না।।তাও মাথা যাকালো।
১ মাস পরে,,
এই এক মাসে কিছু পরিবর্ত হয়নি।
নিল রাতে দেরি করে বাড়ি ফিয়ে। যলদি ফিরলেও নিজের কাজ বা টিভি দেখা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরে।।
স্নিগ্ধার জন্য কিছু আনার কথা মনে না থাকলেও পকেটে করে একটা জিনিস আনতে ভুল করে না ****।।
সারাদিন স্নিগ্ধাকে একটা ফোন করে খবর নাওয়া তো দূরের কথা রাতে ও খেয়েছে কিনা তা পযন্ত জিজ্ঞেসা করে না।
কিন্তু নিল কি যানে ও যে শরীলটা উপভোগ করছে। সে শরিলের ভিতরে একটা মন আছে,, যা ভালোবাসা চায়,চায় একটু স্নেহ।
সুধু *** এর জন্য নিল ওকে বিয়ে করে নিয়ে এসেছে।।বিয়ে মানেকি শুধু মাত্র ***??
বিয়ের আগে স্নিগ্ধার মাসিকের সময়টা ওর কাছে অসহ্য লাগতো।কিন্তু এখন না....
চলবে
পর্ব ৩ দেখতে চাইলে ছবিতে ক্লিক করুন


Comments
Post a Comment